Breaking News

চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলা বিএনপি পন্থী ইউপি চেয়ারম্যানকে সরাতে আওয়ামী ৭ ইউপি সদস্য একাট্টা!

মোহাম্মদ উল্লাহ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলা বিএনপি পন্থী ইউপি চেয়ারম্যানকে সরাতে আওয়ামী ৭ ইউপি সদস্য একাট্টা! ছবি: NewsBangla.net
চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলা বিএনপি পন্থী ইউপি চেয়ারম্যানকে সরাতে আওয়ামী ৭ ইউপি সদস্য একাট্টা! ছবি: NewsBangla.net

চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলা বিএনপি পন্থী ইউপি চেয়ারম্যানকে সরাতে আওয়ামী ৭ ইউপি সদস্য একাট্টা! 

 

চকরিয়া (কক্সবাজার)  প্রতিনিধি।।

 


কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপি পন্থী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুন রশিদকে অপসারণ চেষ্টায় একাট্টা হয়েছেন একই ইউনিয়নের ৭ আওয়ামী পন্থী ইউপি সদস্য। (২ জুলাই) বৃহস্পতিবার বিকেলে  সংবাদ সম্মেলন করে এমনটাই জানান দেন ওই ইউপি সদস্যরা।  
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন-পুর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপির নেতাকর্মীরা বসে থাকেন, মেম্বাররা (আওয়ামী পন্থী) আসতে পারেনা। উন্নায়ন প্রকল্পও তারা পায়না। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একাই সব কিছু করেন। সংবাদ সম্মেলন শেষে তারা চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত স্মারক লিপি দেন আওয়ামী পন্থী মেম্বারেরা।  এরা হলেন-পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান প্রকাশ আশু মেম্বার,  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য বাহাদুর আরম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কফিলউদ্দিন, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সহসভাপতি ওসমান গণি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী তালেব উল্লাহ, মৎস্য জীবী লীগের সভাপতি আজিজুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা মহসিন মেম্বার।
জানাগেছে,  জুলাই আন্দোলনের সরকার পরিবর্তনের পরে  আওয়ামী লীগের টিকেটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মুন্নাকে অপসারণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়। পরে প্যানেল চেয়ারম্যান হারুন রশিদকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়। 

এদিকে আওয়ামীপন্থী মেম্বারেরা সংবাদ সম্মেলনের পর শুক্রবার বিকেল ৩টায় পরিষদে বসে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুন রশিদ। 
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবী করেন- তিনি একজন নির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যান হয়েও জুলাই আন্দোলনের আগে তাকে ৩ বছর দায়িত্ব পালন করতে দেযনি আওয়ামী লীগ। সরকার পরিবর্তন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু কট্টরপন্থী আওয়ামীলীগের মেম্বারেরা বহাল তবিয়তে থেকে সরকার এবং সরকারের উন্নয়নকাজের বিরোধীতা করছে। তিনি বলেন-প্রত্যেক ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, মেম্বার আওয়ামী লীগ হলেও জনগণের স্বার্থে বরাদ্দগুলোর উন্নয়ন তাদের মাধ্যমেই হয়েছে। সুতারাং তাদের অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও অবান্তর। হারুন চেয়ারম্যান দাবী করেন-যারা অভিযোগ করেছেন তারা প্রত্যেকই জুলাই বিরোধী আন্দোলনে লড়েছে। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ২০২১ সালে ইউপি নির্বাচনে এসব মেম্বারদের ভূমিকা ছিল বড়ই আপত্তিকর, তারা হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার আসামী।  সেই হিসেবে তাদের জেলে থাকার কথা, কিন্তু তারা জেলে না থেকে বাইরে থাকার সুযোগ পাওয়ায় তিনি (চেয়ারম্যান)এবং সরকারের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে লেগেছে। তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান চেয়ারম্যান । সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুন সহ স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL