Breaking News

চকরিয়ার মানুষের পাশে ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা—

মোহাম্মদ উল্লাহ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা ছবি: NewsBangla.net
ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা ছবি: NewsBangla.net

বুয়েটের মেধা, কর্পোরেট জীবনের সাফল্য—শিকড়ের টানে চকরিয়ার মানুষের পাশে ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা

 

ছাত্রজীবন থেকেই অসাধারণ মেধা, মনন ও স্বপ্নের এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা
১৯৯৮ সালে চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে ৮৬০ এবং ২০০০ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসিতে ৮৩৭ নম্বর অর্জন করে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখেছিল শাহেদ। এইচএসসিতে মাত্র দুই নম্বরের ব্যবধানে বোর্ডের মেধাতালিকার শীর্ষ ২০-এ জায়গা না পাওয়ার আক্ষেপ হয়তো ছিল; কিন্তু তার পরের পথচলা প্রমাণ করেছে—মেধার প্রকৃত মূল্য কোনো তালিকায় সীমাবদ্ধ নয়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়—বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি, সিজিপিএ ৩.৫৫/৪ এবং পরবর্তীতে এমএসসি—তার একাডেমিক যাত্রাকে করেছে আরও সমৃদ্ধ।
২০০৭ সালে গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ের টেকনোলজি ডিভিশনের রেডিও ও প্ল্যানিং বিভাগে কর্মজীবন শুরু। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময়ের পেশাগত জীবনে অর্জন করেছে সম্মান, সাফল্য ও স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু জীবনের এক পর্যায়ে পিতার মৃত্যুর পর সেই অভিজাত নগরজীবন ছেড়ে শাহেদ ফিরে এসেছে নিজের শিকড়ে—ফাঁসিয়াখালীর মাটিতে। শহরের আলো, গুলশান-বনানী-বারিধারার জীবন কিংবা বিদেশে স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে জন্মভূমির মানুষ ও এলাকার উন্নয়ন। ফাঁসিয়াখালীতে তার পরিবারের সামাজিক অবদানেরও স্থানীয় শিকড় রয়েছে।

এখানেই শাহেদের গল্পটি অন্যরকম।
একজন প্রকৌশলী যখন শুধু নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবে না, বরং নিজের এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখে—তখন তার শিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বৃহত্তর জনকল্যাণের সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।
শাহেদের রাজনৈতিক মূল্যবোধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও ১৯ দফা কর্মসূচির প্রতি আকর্ষণের কথা সে নিজেই ধারণ করে। ঐতিহাসিকভাবে জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচিতে আত্মনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও মানুষের মৌলিক প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
আমি একজন শিক্ষক এবং তার স্কুলজীবনের বন্ধু হিসেবে মনে করি—শিক্ষিত, মেধাবী ও পেশাগতভাবে অভিজ্ঞ মানুষের জনজীবনে অংশগ্রহণ সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বুয়েটের মতো দেশের শীর্ষ প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠা একজন মানুষের জ্ঞান, প্রযুক্তিবোধ, প্রশাসনিক দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা জনসেবায় কাজে লাগার সুযোগ রয়েছে।
শাহেদ, তুমি স্কুলে মেধার স্বাক্ষর রেখেছ, কলেজে রেখেছ, বুয়েটে রেখেছ, কর্মজীবনেও রেখেছ। এখন তোমার সামনে আরেকটি বড় অধ্যায়—জনজীবন।
তোমার রাজনৈতিক পথচলা হোক সততা, দক্ষতা, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণের পথে। চকরিয়ার মানুষ তোমার মেধা ও অভিজ্ঞতা কীভাবে জনসেবায় রূপ নেয়—সেদিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে থাকবে।
শিকড়ের কাছে ফিরে আসা এই মেধাবী প্রকৌশলীর নতুন পথচলা হোক মানুষের কল্যাণে।

শুভেচ্ছা 

ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা

সাধারণ সম্পাদক ফাঁসিখালি ইউনিয়ন বিএনপি।

চকরিয়া কক্সবাজার। 

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL