পেকুয়ায় ইমামের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “পেকুয়ায় হামলায় নারী আহত, বসতবাড়ি গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে মৌলভী জালাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে একপাক্ষিক বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
প্রকাশিত সংবাদে ঘটনাস্থলকে পৈত্রিক সম্পত্তি বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে ওই জায়গা মৌলভী জালাল উদ্দীনের নিজ নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি। দীর্ঘদিন ধরে নাদের হোসেন, জাহেদা বেগম খালেদা বেগম, ফাতেমা বেগম ও রাশেদ তাদের সহযোগীরা জোরপূর্বক ওই সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও তারা দখল ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায় এবং উল্টো নানা অপপ্রচার শুরু করে।
মৌলভী জালাল উদ্দীন একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় মসজিদের ইমাম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সমাজে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অথচ তাকে পরিকল্পিতভাবে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
ঘটনার দিন জালাল উদ্দীনের পরিবারের সদস্যদের ওপরই হামলা চালানো হয়। বিশেষ করে তার স্ত্রীকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। হামলার সময় তাকে ধাক্কাধাক্কি ও শারীরিক নির্যাতনের কারণে তার হার্টে গুরুতর সমস্যা দেখা দেয় এবং হার্ট ভেঙে যাওয়ার মতো জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বর্তমানে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মামলা চলমান রয়েছে।
এছাড়াও সংবাদে লুটপাট, হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোর কোনো সত্যতা নেই। মূলত নিজেদের অবৈধ দখলকে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এসব মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
আমরা উক্ত মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে প্রকৃত তথ্য যাচাই-বাছাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
মৌলভী জালাল উদ্দীন
পিতা মৃত শফি আলম, সাং নতুন ঘোনা পেকুয়ারচর,
উজানটিয়া, পেকুয়া, কক্সবাজার।