কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী অসুস্থ হয়ে পড়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ৩১ আগস্ট সোমবার বিকালে চকরিয়া থানা হাজতে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
রবিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড়ের সায়মা প্লাজা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, আলমগীর চৌধুরী চকরিয়া পৌরসভার দুই দফা মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন মামলায় আসামি করা হয় সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরীকে।
এসব মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। রবিবার রাত ১১টার দিকে চকরিয়া থানা পুলিশ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সায়মা প্লাজার সামনে থেকে আলমগীর চৌধুরীকে গ্রেফতার করে।
সোমবার বিকাল তিনটার দিকে চকরিয়া থানার হাজতখানায় অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশের সহযোগিতায় তাৎক্ষণিক চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরীর আইনজীবী এডভোকেট লুৎফুল কবির জানান, চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন তিনি।
আটকের পর ওই তিন মামলায় আলমগীরকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে শারীরিক অসুস্থতাবোধ করায় চকরিয়া উপজেলা জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি অসুস্থবোধ করায় শুনানী হয়নি। চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকগন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও নিম্ন আদালতে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করে প্রেস জামিন নেওয়ার বিষয়টি আলমগীর চৌধুরী নিশ্চিত করতে পারেননি।
এ ছাড়া চকরিয়া পৌরসভার নিজপানখালী এলাকার এক বাসিন্দার দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাতেও আলমগীর চৌধুরী অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছেন। তবে শারীরিক অসুস্থ হওয়ায় চমেকে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।