আজ কক্সবাজার আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
।।মোহাম্মদ উল্লাহ।।
আজ ১৩ জুন কক্সবাজার সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ দুই দশক পর তাঁর এই সফর ঘিরে প্রশাসন ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক তৎপরতা ও প্রাণচঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনব্যাপী এ সফরে রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।
এর মধ্যে রয়েছে খাল পুনঃখনন প্রকল্প উদ্বোধন,দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন,নবগঠিত পৌরসভা ও উপজেলার ভিত্তি প্রস্তর স্হাপন,জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং চকরিয়ায় বিএনপির রাজনৈতিক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান।
দলীয়সূত্রে জানা যায়,চারদলীয় জোট সরকারের সময় দায়িত্বশীল অবস্থায় কক্সবাজার সফরের পর এবার দীর্ঘ বিরতিতে পুনরায় এ জেলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর এটি হবে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে তাঁর প্রথম সরকারি সফর।
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার -১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সফরের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।
সফরসূচী অনুযায়ী,শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮ টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সকাল ১০ টায় কক্সবাজার পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কক্সবাজার সদরের পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর খনন করা "পাতলীখাল" পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন এবং সংক্ষিপ্ত পথ সভায় বক্তব্য রাখবেন
এরপর দুপুর ১২ টায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। সেখান থেকে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২৪ আন্দোলনে কক্সবাজারের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং শহীদ পরিবার সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। পরে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তি প্রস্তর স্হাপন করবেন।
কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর পেকুয়াস্হ বাড়িতে বিশ্রাম ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে ৪ টায় চকরিয়া পৌরবাস টার্মিনালে আয়োজিত বিএনপির রাজনৈতিক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জনসভা শেষে কক্সবাজার শহরে সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে মেরিন ড্রাইভ ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করে রাত ১০ টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ফ্লাইটে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর এই প্রথম সফরটি কক্সবাজারের উন্নয়ন ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।