| ছবি: NewsBangla.net
আদালতে আসামীদের স্বীকারোক্তি মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতিকালে মা-মেয়েকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের ।।মোহাম্মদ উল্লাহ।। কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় আলোচিত ডাকাতিকালে মা-মেয়েকে গনধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় এজাহারনামীয়সহ ১২জনকে আসামী করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে ভোক্তভোগী পরিবারের সদস্য হোসনে আরা বেগম বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারনামীয় আসামীরা হলেন- মো.তারেক (২৫), তোফাজ্জল হোসেন প্রকাশ বাবু(২৩), মেহেদী (২৪), তানজিদ (২৫), কেফাছেু হোসেন (২৫)। এরমধ্যে প্রথম আসামীর বাড়ি মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডেও বাসিন্দা। অপর আসামী সবাই পূর্ব বড় ভেওলার ৩নং ও ২নং ওয়ার্ডেও বাসিন্দা। মামলার এজাহারে বাদি হোসনে আরা বেগম দাবি করেন, গত সোমবার দিবাগত রা আড়াইটা হতে রাত ৪টা পর্যন্ত মাতামুহুরী উপজেলার (চকরিয়া থানাধীন) পূর্ব বড় ভেওলা ইউপিস্থ ডলনী ঘোনা এলাকায় হোসেনে আরা বেগমের পাকা বিল্ডিংয়ের বসত ঘরের জানলার গ্রীল কেটে ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভুক্তভোগীর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে। এছাড়াও পরিবারের মহিলা ও তার কিশোরী কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে গণধর্ষণ করেন। ডাকাতি পরবর্তী গণধর্ষণের খবর জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এরপর স্থানীয়দেও সহায়তায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচ ডাকাতকে গ্রেফতার করেন। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনির হোসেন বলেন, পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে ডাকাতিকালে এক মহিলা ও কিশোরী কন্যাকে গনধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এতে পাঁচজনের উল্লেখসহ ১২জন কে আসামী করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পাঁচজন ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বুধবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত পাঁচ ডাকাত আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি দিয়েছেন। তারা ঘটনার সাতে সম্পৃক্ত ছিলো বলে দ্বায় স্বীকার করেছেন। এঘটনার সাথে জড়িত অপরাপর আসামীতের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরনা।