প্রকাশ :: ... | ... | ...

চকরিয়ায়  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি  গঠনে অনিয়মের অভিযোগ


সংযুক্ত ছবি

চকরিয়ায়  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি  গঠনে অনিয়মের অভিযোগ | ছবি: NewsBangla.net

চকরিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত আমিনুল ইসলাম- যিনি আওয়ামী আমলে চকরিয়া পৌরসভার শেখ রাসেল স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন বর্তমানে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতার প্রত্যক্ষ ইন্দনে বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফাতেমা বেগমের যোগসাজশে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ গঠনে স্থানীয় বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্যকে বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতা বানিয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক সংসদ সদস্য জাফরের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত আমিনুল ইসলামকে সভাপতি নির্বাচিত করতে একটি স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতার ইন্ধনে পুরো প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১২৬ বছরের পুরনো একটি স্কুলে ১৯৬২, ১৯৬৯ সালে স্কুলে প্রদেয় জমি দাতাদের না জানিয়ে প্রধান শিক্ষক ও ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছালমা বেগমের স্বামী মো: আমিনুল ইসলাম প্রধান শিক্ষিকার প্রত্যক্ষ ইন্দনে চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার হোসেন শরীফ নামে একজনকে দাতা সদস্য মনোনয়ন ও প্রায় সকল ক্যাটাগরীতে পছন্দনীয় লোকদের দিয়ে কমিটি প্রণয়নে নানা অনিয়ম করা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দাতা সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে কারচুপির মাধ্যমে কমিটি গঠনের নির্বাচনী বৈতরণি সফলভাবে সম্পাদন পূর্বক ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও প্রতিদিনের বাংলাদেশ - চকরিয়া প্রতিনিধি মো: ওসমান সরওয়ার বলেন, "প্রধান শিক্ষিকা নিজেই একজন আওয়ামী ঘরনার লোক।তিনি প্রথমে আমাকে ১২ সদস্য কমিটিতে অভিভাবক সদস্য ক্যাটাগরীতে আনেন।পরে আমার দাবির মুখে তিনি নিজেই আমাকে শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন।এছাড়া কমিটির অপর সদস্য নিগার সুলতানাকে একইভাবে প্রথমে অভিভাবক সদস্য ও পরে নারী ক্যাটাগরীতে শিক্ষানুরাগী সদস্য বানিয়ে নেন। চলতি মাসের ২২ তারিখ প্রধান শিক্ষিকার সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায় দাতা সদস্য ঠিক করতে পারেনি।অথচ প্রকাশিত নির্বাচনী তফসিলের বিধি অনুযায়ী সকল ক্যাটাগরীতে সদস্য হওয়ার সুযোগ জুন মাসের ১৮ তারিখ শেষ হওয়ার পরও প্রধান শিক্ষিকা আমিনুল ইসলামসহ সিন্ডিকেটভুক্ত অপরাপর সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে তড়িঘড়ি করে হোসেন শরীফ যিনি ১৯৮১ খতিয়ানের অনুবলে বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের জমিদাতার উত্তরাধিকার হিসেবে হোসেন শরীফ নামক ব্যাক্তিকে দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন যা বিধিবহির্ভূত। তিনি আরও বলেন, দাতা ক্যাটাগরীতে হতে নির্বাচিত গত কমিটির বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি শমসের হায়দার কাদেরীর সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতায় বর্তমানে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গত ২৯ জুলাই,২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। কেননা দাতা সদস্য হিসেবে হোসেন শরীফ ১৯৮১ খতিয়ানের অনুবলে বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের। কিন্তু প্রধান শিক্ষক এই বিষয়টিকে কারসাজি করে উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতাকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতা বানিয়ে কারচুপির পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে। এমনকি বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে অবহিত করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এসব বিষয়ে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টিকে এড়িয়ে যান। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফাতেমা বেগম প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে চাননি। এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আলমগীর মহিউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য প্রধান শিক্ষিকাকে নির্দেশনা দিয়েছিলা।Page BreaPage Break